আমরা শুধু একটি বেটিং সাইট নই। আমরা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ স্পোর্টস ও গেমিং অনুরাগীর জন্য একটি নির্ভরযোগ্য জায়গা তৈরি করতে চেয়েছি – যেখানে মজা আছে, নিরাপত্তা আছে, এবং স্বচ্ছতা আছে।
Joya Joya-র জন্ম হয়েছিল একটা সহজ প্রশ্ন থেকে – বাংলাদেশের মানুষ কি এমন একটি অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম পাবেন যেটা তাদের নিজের ভাষায় কথা বলে, তাদের পেমেন্ট পদ্ধতি সমর্থন করে, এবং সত্যিকার অর্থে তাদের কথা ভাবে?
আমাদের প্রতিষ্ঠাতা দলটি নিজেরা বাংলাদেশের স্পোর্টস ভক্ত ছিলেন। ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে দেখতে বাজি ধরার ইচ্ছেটা মাথায় আসত, কিন্তু বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা ছিল জটিল, ইংরেজিতে ভরা, আর বাংলাদেশি পেমেন্ট অপশন ছিল না বললেই চলে।
সেই অভিজ্ঞতা থেকেই Joya Joya-র ধারণাটা জন্ম নেয়। লক্ষ্য ছিল একটাই – বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের মানুষের মতো করে একটি প্ল্যাটফর্ম বানানো।
আমাদের মিশন: Joya Joya প্রতিটি বাংলাদেশি খেলোয়াড়কে একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ ও আনন্দদায়ক গেমিং পরিবেশ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ – যেখানে প্রযুক্তি মানুষের সুবিধার জন্য কাজ করে, তার বিপক্ষে নয়।
আজ Joya Joya বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত অনলাইন বেটিং ব্র্যান্ড। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, রাজশাহী থেকে সিলেট – দেশের প্রতিটি কোণে আমাদের সদস্যরা ছড়িয়ে আছেন। তাদের বিশ্বাসটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
একটি ছোট দল নিয়ে Joya Joya-র পথচলা শুরু। প্রথমে শুধু ক্রিকেট ও ফুটবল বেটিং নিয়ে মনোযোগ দেওয়া হয়। প্রথম মাসেই ১০,০০০ নিবন্ধন।
Evolution Gaming ও Pragmatic Play-এর সাথে চুক্তির মাধ্যমে লাইভ ক্যাসিনো বিভাগ চালু। বিকাশ ও নগদে পেমেন্ট সুবিধা শুরু।
অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অ্যাপ প্রকাশিত। মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩ গুণ বেড়ে যায়। লয়্যালটি রিওয়ার্ড প্রোগ্রাম চালু।
Joya Joya বাংলাদেশে ৫ লক্ষ নিবন্ধিত সদস্যের মাইলফলক ছুঁয়েছে। ই-স্পোর্টস ও ভার্চুয়াল স্পোর্টস বিভাগ যুক্ত।
AI-চালিত বেটিং বিশ্লেষণ টুল চালু। লাইভ অড্স ট্র্যাকার ও প্রি-ম্যাচ স্ট্যাটিসটিক্স এখন সব সদস্যের জন্য বিনামূল্যে।
আমরা যেসব বিষয়ে সত্যিকার মনোযোগ দিই
ইন্টারফেস থেকে শুরু করে গ্রাহক সেবা – সবকিছু বাংলায়। আলাদা ভাষার ঝামেলা নেই। ডিলাররাও বাংলায় কথা বলেন।
বাংলাদেশের ৯০% ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মোবাইলে। সেই কথা মাথায় রেখে Joya Joya-র পুরো প্ল্যাটফর্ম মোবাইলে নিখুঁতভাবে কাজ করে।
বিকাশ, নগদ, রকেট – যেটায় স্বাচ্ছন্দ্য সেটায় জমা ও তোলা যায়। দ্রুত প্রসেসিং, কোনো লুকানো চার্জ নেই।
SSL এনক্রিপশন, দ্বি-স্তর যাচাইকরণ ও নিয়মিত নিরাপত্তা অডিট। আপনার অ্যাকাউন্ট ও তহবিল সবসময় সুরক্ষিত।
অনুমানের উপর বাজি নয় – Joya Joya-র বিশ্লেষণ বিভাগ আপনাকে তথ্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।
লাইভ চ্যাট, ইমেইল ও ফোনে সার্বক্ষণিক বাংলায় সহায়তা। কোনো সমস্যা হলে কয়েক মিনিটের মধ্যে সমাধান পাবেন।
এই চারটি নীতিতে আমরা বিশ্বাস করি এবং প্রতিদিনের কাজে মেনে চলি
প্রতিটি অড্স, প্রতিটি বোনাসের শর্ত, প্রতিটি ফি – সব পরিষ্কারভাবে লেখা থাকে। কোনো লুকানো চার্জ বা বিভ্রান্তিকর শর্ত Joya Joya-তে নেই। আমরা বিশ্বাস করি, খেলোয়াড় যদি সব তথ্য জানেন, তাহলে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
Joya Joya শুধু একটি ব্যবসা নয়, এটি একটি কমিউনিটি। আমাদের ফোরাম, বেটিং টিপস সেকশন এবং কেস স্টাডি বিভাগে খেলোয়াড়রা একে অপরের সাথে অভিজ্ঞতা ভাগ করেন। এই পারস্পরিক শিক্ষাটাই আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক।
গেমিং আনন্দের জন্য, সমস্যার কারণ হওয়া উচিত নয়। তাই Joya Joya-তে রয়েছে ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন ও রিয়েলিটি চেক ফিচার। আমরা দায়িত্বশীল গেমিংকে শুধু নিয়মের খাতিরে নয়, সত্যিকারের প্রয়োজন মনে করে প্রমোট করি।
বাজার যেদিকে যাচ্ছে সেদিকে তাকিয়ে থাকা আমাদের কাজ নয়। আমরা নিজেরাই বাজার তৈরি করতে চাই। AI বিশ্লেষণ, লাইভ অড্স ট্র্যাকার, বাংলাভাষী ডিলার – এগুলো এসেছে কারণ আমরা প্রশ্ন করতে ভালোবাসি।
Joya Joya-র পেছনে রয়েছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের অভিজ্ঞ পেশাদাররা
১২ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিতে দীর্ঘ কর্মজীবন।
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ১০ বছর। ক্লাউড সিকিউরিটি ও রিয়েলটাইম সিস্টেম বিশেষজ্ঞ।
গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে ৮ বছর। ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতা ডিজাইনে বিশেষ দক্ষতা।
আইন ও রেগুলেটরি কমপ্লায়েন্সে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। দায়িত্বশীল গেমিংয়ের প্রধান পরিচালক।
দলের আকার: Joya Joya-তে বর্তমানে ১৫০+ জন পূর্ণকালীন কর্মী কাজ করছেন। গ্রাহক সেবা, প্রযুক্তি, বিষয়বস্তু তৈরি ও বিশ্লেষণ দলে বেশিরভাগই বাংলাদেশি পেশাদার। আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের মানুষকে সবচেয়ে ভালো বোঝেন বাংলাদেশের মানুষেরাই।
Joya Joya-র পুরো প্ল্যাটফর্ম তিনটি স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে আছে – প্রযুক্তি, বিশ্বাসযোগ্যতা এবং স্থানীয়করণ। এই তিনটি জিনিস একসাথে না থাকলে একটি ভালো বেটিং অভিজ্ঞতা সম্ভব নয়।
Joya Joya-র ব্যাকএন্ড ক্লাউড-ভিত্তিক এবং রিয়েলটাইমে কাজ করে। লাখো ব্যবহারকারী একসাথে থাকলেও সাইটের গতি কমে না। লাইভ বেটিংয়ে অড্স আপডেট হয় মিলিসেকেন্ডে। পেমেন্ট গেটওয়ে সংযুক্ত থাকে সার্বক্ষণিক, যাতে জমা ও উত্তোলনে কোনো বিলম্ব না হয়।
আমাদের সব গেম সার্টিফাইড প্রোভাইডার থেকে আসে। RNG অডিট নিয়মিত হয়। ফিনান্সিয়াল ট্রান্সঅ্যাকশনে দ্বি-স্তর যাচাইকরণ বাধ্যতামূলক। Joya Joya-র নিজস্ব অভ্যন্তরীণ কমপ্লায়েন্স দল প্রতিটি অপারেশন তদারক করে। আমরা জানি, একবার বিশ্বাস নষ্ট হলে ফিরে পাওয়া কঠিন – তাই বিশ্বাস রক্ষায় আমরা কোনো আপোস করি না।
অনেক আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম শুধু ইন্টারফেস বাংলায় অনুবাদ করেই স্থানীয়করণের দাবি করে। Joya Joya-র স্থানীয়করণ অনেক গভীরে যায়। আমাদের কনটেন্ট টিম বাংলাদেশি ক্রিকেটের স্থানীয় ঘটনা, বিপিএল, জাতীয় দলের ম্যাচ – এই বিষয়গুলো নিয়ে দৈনিক বিশ্লেষণ তৈরি করে। আমাদের প্রমোশন ঈদ, পূজা বা বাংলা নববর্ষের মতো স্থানীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে হয়। এটাই Joya Joya-কে সত্যিকারের বাংলাদেশি প্ল্যাটফর্ম করে তোলে।
Joya Joya বিশ্বাস করে, গেমিং যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় তখন সেটা আর আনন্দের উৎস থাকে না। তাই আমরা শুধু নিয়ম মানতে নয়, সত্যিকারের দায়বদ্ধতা থেকে দায়িত্বশীল গেমিং ফিচার তৈরি করেছি। ডেইলি লিমিট সেট করা, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অ্যাকাউন্ট পজ করা, এবং প্রফেশনাল সহায়তার লিঙ্ক – এগুলো সব একটু খুঁজলেই পাওয়া যায়। আমরা চাই আমাদের সদস্যরা বছরের পর বছর আনন্দের সাথে খেলুন, কোনো ক্ষতি ছাড়া।
আমাদের প্রতিশ্রুতি: Joya Joya প্রতিটি বাংলাদেশি খেলোয়াড়কে একটি ন্যায্য, নিরাপদ ও স্বচ্ছ পরিবেশ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা বড় হচ্ছি, কিন্তু আমাদের মূল প্রতিশ্রুতি – সদস্যদের প্রথমে রাখা – কখনো বদলাবে না।
৫ লক্ষেরও বেশি বাংলাদেশি ইতোমধ্যে Joya Joya-তে যোগ দিয়েছেন। আজই নিবন্ধন করুন এবং ওয়েলকাম বোনাস পান।
SSL সুরক্ষিত | শুধুমাত্র ১৮+ বছরের জন্য | দায়িত্বশীল গেমিং